পোস্টগুলি

জমির দখল আছে কিন্তু রেকর্ড অন্যের নামে :- এ ক্ষেত্রে আইনি প্রতিকার ।

 আমরা প্রায়ই লক্ষ্য করি কারো কারো দখলীয় জমি অন্য ব্যক্তির নামে হাল বি .আর. এস বা সাবেক এস .এ রেকর্ড অন্য ব্যক্তির নামে লিপিবদ্ধ হয়েছে।  এমন অনেকে আছেন যারা দীর্ঘ দিন পর্যন্ত এই ভুল রেকর্ড সম্পর্কে পূর্ব থেকে মোটেই অবগত ছিলেন না এবং যার নামে রেকর্ডভুক্ত হয়েছে তিনিও এই বিষয়ে অবগত নয়। এক্ষেত্রে রেকর্ডীয় ভূমি আপনার বা ভূমির শরীক জোতের কারো নামে রেকর্ডভুক্ত না হলে তেমন কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না। নিছক অন্য কারো নামে রেকর্ডভুক্ত হলে এই অবস্থায় আপনার ভূমির উপরোক্ত  ভুল রেকর্ড সম্পর্কে জানার পর পরই সহকারী জজ আদালতে স্বত্ব ঘোষণার একটি মোকদ্দমা দায়ের করতে হবে । যেহেতু রেকর্ড সংশোধনের জন্য গঠিত ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনাল সরকার ২০১৬ সাল থেকে নতুন মোকদ্দমা দায়ের বন্ধ ঘোষণা করেছে। এই ক্ষেত্রে সহকারী জজ আদালতে স্বত্ব ঘোষণার মোকদ্দমা একমাত্র প্রতিকার। 

ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইন ২০২৩:- দলিল যার জমি তার।

 ২০২৩ সালে জাতীয় সংসদের পাস হয় উক্ত আইনটি।  ভূমি অপরাধ প্রতিরোধ আইন ২০২৩:- দলিল যার জমি তার। আ ইনটি বর্তমানে বলবৎ হয়েছে। বেশ কিছু উল্লেখযোগ্য মামলাও অত্র আইনে দায়ের হয়েছে দেশের বিভিন্ন আদালতে। দলিল যার জমি তার এই স্লোগান অত্র আইনের বিষয়ে দেওয়া হলেও প্রকৃতপক্ষে জমির মালিক নির্ধারণের জন্য এই আইনে নিন্মোক্ত দলিলধারীগন  ভূমির মালিক:- সর্বশেষ প্রকাশিত খতিয়ানের মালিক  উক্ত খতিয়ানের মালিক এর ওয়ারিশ উক্তরুপ মালিক বা তার ওয়ারিশগনের নিকট হতে ক্রয় বা হস্তান্তর গ্রহীতা আদালতের রায় ডিক্রী প্রাপ্ত ব্যাক্তি অর্থাৎ উপরোক্ত প্রকারেও জমির মালিক হতে পারে। কি কি প্রতিকার অত্র আইনে পেতে পারেন ? ১. ভূমি বিষয়ক প্রতারণার অভিযোগ। ২. অবৈধ ভূমির মালিকানা দাবীর বিরুদ্ধে অভিযোগ । ৩. অবৈধ ভাবে ভূমি হতে উচ্ছেদ এর বিরুদ্ধে অভিযোগ। ৪.বেদখলকৃত ভূমি পুনরুদ্ধার। ৫.ভূমির শ্রেনীর ক্ষতি সাধিত হলে প্রতিকার। ৬.ভূমি সংক্রান্ত জালিয়াতি। নিচে বিস্তারিত আলোচনা করা হলো:- ১. ভূমি বিষয়ক অপরাধ অত্র আইনের ৪ ধারায় উল্লেখ আছে। অন্যের মালিকাধীন ভূমি নিজের বলে প্রচার করা,তথ্য গোপন করে জমি হস্তান্তর...